Friday, December 27, 2024


 

ফেসবুকে প্রেম, দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষণের শিকার কিশোরী

নিজেস্ব প্রতিনিধি

December 26, 2024


রাজবাড়ীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মাত্র ১২ দিনের পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্কের জেরে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী।

এ ঘটনায় বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ভুক্তভোগীর বাবা ৪ জনকে আসামি করে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলা বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা গ্রামের বাবুর ছেলে মো. সোহান (১৬), দাদশী ইউনিয়নের আগমাড়াই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সালমান মাহিন (১৬) ও দাদশী ইউনিয়নের কামালদিয়াকান্দি গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে সজিব অমিত (১৯)। এ ঘটনায় পলাতক রয়েছেন বরাট ইউনিয়নের ভবদিয়া গ্রামের আলোকের ছেলে রাশেদ (২০)।

আরও পড়ুনঃ  গণহত্যা ও র‍্যাব নিয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে এইচআরডব্লিউ’র চিঠি

ভুক্তভোগীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই ছাত্রীর সঙ্গে সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের বাবুর ছেলে সোহানের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সম্পর্কের সুবাদে মেয়েটিকে দেখা করতে বলে ওই কিশোর। ১৮ ডিসেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার ভবদিয়া পার্কে তারা দেখা করে। পরে সেখান থেকে কৌশলে তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে যায় ওই কিশোরসহ তার তিন সহযোগী।


সেখানে আটকে রেখে মেয়েটিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে মেয়েটিকে জেলা শহরের বড়পুল এলাকায় রেখে পালিয়ে যায় ওই কিশোর। এরপর মেয়েটি তার বাড়িতে গিয়ে সব কিছু খুলে বলে।

আরও পড়ুনঃ  মসজিদে গিয়ে একে একে মুসলিমদের মারা হবে

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান বলেন, মেয়েটির জবানবন্দি আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে। তার ডাক্তারী পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। গ্রেপ্তার ৩ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুনঃ 



Wednesday, November 6, 2024


 লেখাটি পড়বেন অবশ্যই ...............

০১.তুমি যাকেই বিয়ে করো না কেন, তার খুঁত থাকবেই। নিখুঁত কোনো মানুষ মানবেতিহাসে জন্মায়নি। দাম্পত্যসাথীর খুঁতের দিকে তাকিয়ে থাকলে, তার যোগ্যতাকে তুমি দেখতে পাবে না কোনোদিনই।

তোমার এই বদভ্যাস থেকে থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

০২. প্রায়  প্রত্যেক মানুষেরই অতীত-গল্প আছে। ভালোমন্দ মিলিয়েই তার অতীতের ইতিহাস। দাম্পত্যসাথীর অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে, দাম্পত্যের বর্তমানকে হারিয়ে ফেলবে তুমি।

তোমার এই বদভ্যাস থেকে থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

০৩. প্রত্যেক দাম্পত্যই বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হবে রোজই। দাম্পত্য ফুলবাগানও নয়, যুদ্ধক্ষেত্রও নয়। ল্যভ-ম্যারেজ বা সেটল্ড, যে-প্রক্রিয়াতেই সংসারটি তৈরি হোক না কেন, নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা থাকবেই। প্রক্রিয়ার দোষ নয় এটি, দাম্পত্যজীবনই এরকম। এই সমস্যাগুলোকে দু'জনে মিলে সমাধানে এগিয়ে যাওয়াটাই দাম্পত্যপ্রেম। দাম্পত্য-সমস্যায় পরস্পরকে দোষারোপ দাম্পত্যের অপমান।

দাম্পত্য-সমস্যায় সংসারসাথীকে দোষারোপ করার বদভ্যাস থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

০৪. প্রত্যেক দাম্পত্যই আলাদা। নিজের সংসারের সাথে অন্য সংসারের তুলনা কোরো না। কোনো সংসারই ব্যর্থ নয়, প্রত্যেক সংসারই নিজের যোগ্যতার নিরিখে সফল। অন্যের সংসারের জৌলুসকে সুখ ভেবে নিয়ে, নিজের সংসারকে অসুখের আখড়ায় পরিণত কোরো না।

পরিশ্রমহীন এই পরশ্রীকাতরতার বদভ্যাস থেকে থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

০৫. সংসার করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অর্থ হলো─ তুমি তোমার জীবন থেকে সংসার-বিরুদ্ধ ভাবনা ও অভ্যাসগুলি চিরতরে বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছ। উল্লিখিত সংসার-বিরুদ্ধ অভ্যাসগুলি─
ক. মূর্খতা,
খ. উচ্ছৃঙ্খলতা,
গ. শৃঙ্খলাহীনতা,
ঘ. পরচর্চা,
ঙ. পরশ্রীকাতরতা,
চ. তৃতীয় পক্ষের কথায় বিশ্বাস,
ছ. আলস্য,
জ. অশ্রদ্ধা,
ঝ. প্রেমহীনতা,
ঞ. ভাষার বাজে ব্যবহার,
ট. বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা,
ঠ. পারস্পরিক আলাপে অনীহা।

উল্লিখিত বদভ্যাসগুলো পরিত্যাগ করতে না-পারলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

০৬. নিখুঁত দাম্পত্যজীবন বলে কিছু নেই। রেডিমেড সংসার বলে কিছু নেই। শর্টকাট দাম্পত্যসুখ বলে কিছু নেই। সংসার অর্থ─ দু'টি মানুষের একইমাত্রার পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, বিশ্বাস, প্রেম, এবং উভয়ের সর্বোচ্চ শ্রমের সমষ্টি। দাম্পত্যজীবন হলো সেই চারাটি, যাকে নিয়মিত পরিচর্যা করলে একটি মহীরুহে পরিণত হবে একসময়; পরিচর্যা না-করলে, ধুঁকতে-ধুঁকতে, দ্রুতই মরে যাবে।

তুমি যদি পরিচর্যার মানসিকতাহীন একজন খামখেয়ালি ব্যক্তি হয়ে থাকো, সংসার তোমার জন্য নয়।

০৭. সংসার ও আর্থিক সক্ষমতা পরস্পরের পরিপূরক। সংসার রক্ষা করার জন্য, সংসার শুরু করার আগেই তোমাকে উপার্জনের ব্যবস্থা করতে হবে। উপার্জন ছাড়া সংসার করার ভাবনাটিই তামাশা। এ অপরাধ। আর, উপার্জনের ব্যবস্থা নিশ্চিত থাকলে, তবে, সংসার শুরু করার আগে, কখনোই উদ্বিগ্ন হয়ো না─ এই উপার্জনে সংসার আমি রক্ষা করতে পারবো কিনা! নিজের যোগ্যতার চেয়ে বেশি যোগ্য, নিজের অবস্থানের চেয়ে বেশি উচ্চ অবস্থানের, কারও সাথে দাম্পত্য করতে যেয়ো না; কাছাকাছি সামাজিক অবস্থানের ও মানসিকতার দু'জন মানুষের দাম্পত্যে আর্থিক চাহিদা সমস্যা ঘটায় না। সংসার মানেই আর্থিক বিবেচনা, এবং সংসার মানেই ঝুঁকি নেওয়ার চ্যালেঞ্জ।

এই ঝুঁকি নেওয়ার সাহস না-থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

০৮. প্রেমভালোবাসাহীন সংসার একটি অভ্যাসমাত্র। এই অভ্যাস একসময় পরিণত হয় দাসত্ব ও মালিকানায়। এই পরিস্থিতির নামই─ চুক্তি। এই চুক্তির, বাজারে পরিণত হতে বেশি সময় লাগে না। বাজারেই থাকে গণিকালয়। অর্থাৎ, প্রেমভালোবাসাহীন সংসার চুক্তিভিত্তিক গণিকাবৃত্তি মাত্র। এসব সংসারে, ডিভোর্স না-হওয়া মানে এই নয় যে─ এরা সুখী; কারণ─ ডিভোর্স সবসময় কাগজেকলমে হয় না, ডিভোর্স মূলত আরম্ভ হয় মনে, এবং চিরকাল মনের ভিতরেই এই ডিভোর্স ঘৃণার সাথে রয়ে যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই।

তুমি যদি প্রেমহীন হয়ে থাকো, সংসার তোমার জন্য নয়।

০৯. সংসার আরম্ভ করার আগেই, অতীতের তৃতীয় কারও প্রেমকে, বান্ধবকে, হারানো প্রেমস্মৃতিকে, চিরতরে অতীতেই ফেলে আসতে হবে। বর্তমান দাম্পত্যসাথীর সাথে প্রতারণার আরেক নাম─ প্রাক্তন প্রেমসাথীকে মনের ভিতরে জিইয়ে রাখা।

এ বদভ্যাস পরিত্যাগ করতে না-পারলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

১০. সংসার করো। সংসারই পরিপূর্ণতা। কিন্তু, সংসার তখনই কোরো, যখন তুমি সংসার করার যোগ্য হয়ে উঠবে। অন্যথায়, আরেকটি মানুষের সুন্দর জীবনটিকে নষ্ট করে দিয়ো না।

মানুষকে ভালোবাসো, সংসার না-করে হলেও।
©

Sunday, November 3, 2024


 ইদানিং মানুষ ---
আত্মসম্মানের নামে ইগো বাড়িয়ে নিচ্ছে,
সহজ থেকে ক্রমশঃ কঠিন হয়ে উঠছে।
আবেগ লুকাতে গিয়ে প্রিয় মানুষ হারাচ্ছে,
কষ্ট পাচ্ছে কিন্তু কাঁদতে পারছে না। কারণ সেল্ফ রেসপেক্ট নয়, ইগোতে আটকে যাচ্ছে।
 
ব্যাক্তিত্ব দেখাতে গিয়ে অহংকারী হচ্ছে, একটার বেশি দুটো কথা নেই তাই নিজেই নিজেকে একটা শক্ত খোলের মধ্যে বন্ধ করে ফেলছে।

স্মার্ট হতে গিয়ে অশ্লীল হচ্ছে, সহবৎ- সংস্কৃতি-রুচি-আচার-নিয়ম- শালীনতা সবকিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যুগেরও আগে এগিয়ে থাকার চেষ্টায় অহেতুক মরীচিকায় ফাঁসছে।

স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড সাজতে গিয়ে অভদ্র হচ্ছে,
 উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে নিজেকে শিক্ষিত দাবী করছে। আদপে ভিত্তিহীন যুক্তিহীন অশিক্ষিত হয়ে থাকছে।

দশ টাকা রোজগারের যোগ্যতা তৈরী হওয়ার আগেই হাতে দশ হাজার টাকা এসে যাওয়ায় নিজেকে ধনকুবের ভেবে নেওয়া মানুষ আসলে ফানুসে পরিণত হচ্ছে।।

এতো কিছু হতে থাকলে কী আর মানুষ হয়ে ওঠা হয়?? মানুষের মতো দেখতেই হয়.... দিনশেষে 'মানুষ' হতেই ভুলে যায়। অন্যের সাথে বাদ-ই থাক...কাম-ক্রোধ-লোভ-ঈর্ষা-মদ-মাৎসর্যে মত্ত উন্মত্ত দু-পেয়ো প্রাণীগুলো নিজেকে নিজেই চেনে না-বোঝে না-জানে না ধরণের অপাংক্তেয় অমানুষ হয়েই প্রমাণ করে।

 তাই তো এখন মানুষের ভীড়ে 'মানুষ' মেলে না সহজে।।


 পরকীয়া— যার এপিঠ- ওপিঠ দুই পিঠেই অশান্তি.!!

নিজের খুব কাছের এক বন্ধুর ডিভোর্স হল.! মনটা খারাপ.!
সুন্দর একটা পরিবার চোখের সামনে শেষ হয়ে গেল.!! কারণ: পরকিয়া।

প্রেম শব্দটার সাথে অনেকগুলো বিষয় জড়িয়ে থাকে। যেমন ভালোবাসা, শরীর, মায়া, দায়িত্ববোধ, কাণ্ডজ্ঞান, বিশ্বাস, ভরসা, সক্ষমতা। কিন্তু ধীরে ধীরে আমরা প্রেমের শরীর থেকে অন্যান্য উপাদানগুলো ছেটে বাদ দিয়ে দিচ্ছি। প্রেমকে অর্থনৈতিক সক্ষমতা আর শরীরের মধ্যে আঁটকে- তাকে হালকা করে ফেলছি।
এটা একদিকে বেশ হালকা ফুরফুরে একটা ভাব নিয়ে এলেও ভাবুনতো- দিনশেষে আপনাকে কী দিচ্ছে.? আগে , বিয়ের আগে মানুষ প্রেমের কথা ভাবত। আর এখন বিবাহিত নারী- পুরুষ উভয়ই , যে যেখানে প্রেমের আলামত পাচ্ছে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

সবার কথা বলছি না। ভালোরা তো ভালোই। আমি অ ভালোদের কথা বলছি। পরিবার এবং সন্তানাদির দায়দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি আপনি ছোটো- খাটো একটা প্রেম করছেন। হতে পারে সে আপনার সহকর্মী, হতে পারে ফেসবুকে পরিচিত- অচেনা কেউ, আবার হতে পারে আপনার প্রাক্তন কোন বন্ধু। আপনি পুরুষ হলে, ভাবছেন স্ত্রীর অগোচরে এটুকু রিফ্রেশমেন্ট আপনি করতেই পারেন। সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রমের পাশাপাশি এই প্রেমটুকু আপনার মনের স্বস্থ্যের জন্য খুব দরকারী। ভাবছেন আপনার স্ত্রী সুলক্ষণা, সংসার নিয়ে হাবুডুবু খাচ্ছে।
মাস শেষে সংসার খরচ পেলেই খুশি। ভুল ভাবছেন নাতো.?

যতটুকু , প্রেম, মনযোগ,সময়, ভালোবাসা আপনি অন্য কাউকে দিচ্ছেন তার সবটুকুরই ঘাটতি জমছে আপনার স্ত্রীর ঘটে। জমা হচ্ছে শূন্যতা। মনে রাখবেন জগতে কিছুই শূন্য থাকেনা। কোন না কোন ভাবে সব ঘাটতি পূর্ণতার দিকে ধাবিত হয়। আপনার ঘরের সেই শূন্যতায় হয়ত বাসা বাঁধছে পাশের ফ্ল্যাটের তরুণ, অথবা ফেসবুক থেকে পাওয়া তার কোন বন্ধু, অথবা পরিচিত আপনারই কোন বন্ধু। আপনার সুলক্ষণা স্ত্রীটিও হয়ত- আপনার সারাদিনের ব্যস্ততার পর- আপনার ক্লান্ত শরীরকে পরিচর্যা দিয়ে , স্বান্তনা দিয়ে ভুলিয়ে রাখছে আপনাকে।

সুতরাং আপনি নারী হন বা পুরুষ। নিজেকে অতটাও চালাক ভাববেন না। এই চরম ক্ষতির মাশুল দেবে আপনার সন্তানরা। নিজের পরিবারের প্রতি যত্নশীল হোন। স্ত্রী স্বামীর প্রতি আর স্বামী স্ত্রীর প্রতি মনযোগী হন। মন থেকে দুষিত প্রেম দূর করুন। বিবাহিত জীবন প্রেমময় করে তুলুন। প্রেমে, সম্পর্কে দায়িত্বশীল হোন। বিশ্বস্ত হোন। নিজের ঘরে নিজেই চুরি করলে দিনশেষে লুজার আপনিই। নিজের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখুন। ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। ব্যভিচারকে ঘৃণা করুন।

পরিবার পরিজনদের নিয়ে আনন্দ করুন। দাম্পত্য জীবনকে সুখময় করে তুলুন। একালে, পরকালে আপনি শান্তি পাবেন। বিশ্বাস করুন, পরিবার ভেঙে কাউকে শান্তি পেতে দেখিনি। স্ত্রীর সাথে বেইমানী করে বা স্বামীর সাথে বেইমানী করে কেউই জিততে পারেনি। দিনশেষে বেইমানীই জুটেছে ভাগ্যে। একাকীত্বই হয়েছে সঙ্গী।

সবশেষে বলব— গড়তে সময় লাগে অনেক। ভাঙতে খুব একটা লাগে না.!! ভালো থাকুক সকল বৈধ সম্পর্ক।
ভালো থাকুন— সবাই।
সংগৃহীত

অনলাইনে প্রেম


 ভার্চুয়ালে মানুষ যতটা না চেহারার প্রেমে পড়ে, তারচেয়ে বেশি কথার প্রেমে পড়ে। আরো স্পেসিফিকভাবে বলতে গেলে চ্যাটিং এর প্রেমে পড়ে।
চ্যাটিং শুরু হবার কিছুদিনের মধ্যেই মানুষটাকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা লাগতে শুরু করে। তার সাথে চ্যাটিং জমে ওঠে অল্পতেই। চ্যাটিং এ আড্ডা জমে। আড্ডায় দিন কেটে যায়। রাতও গভীর হয়। কখনো রাত পেরিয়ে ভোর হয়। তবু কারো চ্যাটিং এ কথা শেষ হয় না।
এরই মধ্যে মানুষটার আইডি নামটা আপন আপন লাগতে শুরু করে। মায়া জন্মে যায় আইডিটার উপর। অন্য কোনো আইডি থেকে সারাদিন হাজার হাজার মেসেজ আসলেও কিছুই মনে হয় না। কিন্তু সেই বিশেষ আইডিটা থেকে মেসেজ আসলেই চোখ দুটো ঝলমল করে ওঠে! কেঁপে ওঠে বুকের ভিতরটা! নড়েচড়ে বসা হয় মোবাইলটা হাতে নিয়ে। আর মনে মনে বলা হয়, মানুষটা যেন অনলাইনে অনেক্ষণ থাকে। দ্রুত সে অফলাইনে চলে গেলে রাজ্যের হতাশা এসে ভর করে চোখেমুখে!
একটা সময় মানুষটার কথা শুনতে ইচ্ছে করে। মানুষটা কিভাবে কথা বলে, মানুষটার কণ্ঠস্বরটা কেমন, বড্ড জানতে ইচ্ছে করে। ফোন নাম্বার দেওয়া নেওয়া হয়। এরপর চ্যাটিং এর নদী ছেড়ে কথার সমুদ্রে ভাসতে থাকে দুজন। মানুষটার কথা ভালো লাগে, হাসি ভালো লাগে, অভিমান ভালো লাগে, আরো কত কী! আগে চ্যাটিং করতে করতে রাত কেটে ভোর হতো। এরপর ভোর হয় মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে। তবু কথা শেষ হতে চায় না কারোরি! মানুষটাকে ততদিনে আর ভার্চুয়াল মনে হয় না। মনে হয় খুব আপন কেউ। খুব কাছের কেউ। বাংলা সিনেমার গানের মতই যেন মনে হতো থাকে- হাজার বছর মানুষটার সাথে ছিল পরিচয়...
সময়ের স্রোত বইতে থাকে। হঠাৎ করেই সম্পর্কটা কিভাবে যেন ফুরিয়ে যেতে শুরু করে! তিলে তিলে পরিচিত হয়ে ওঠা মানুষটা একটা সময় একদম অপরিচিত হয়ে যায়। ঠিক যেমন মোমবাতির শেষ আলোটুকু নিভে যায় ধুপ করে! মানুষ দুইটা ঠিকই থাকে পৃথিবীর দুই প্রান্তে। দুই প্রান্তে দুজন মানুষ ঠিকই তাদের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়। শুধু দূরত্ব বাড়ে আর যোগাযোগ নিভে যায়।
এদের মধ্যে খুব অল্প সংখ্যক মানুষই সারাজীবন একে অপরের হাত দুটো আঁকড়ে ধরে রাখতে পারে। খুব অল্প সংখ্যক মানুষেরাই নিজেদের মাথার উপর একটা ছাদ তৈরী করতে পারে। স্বপ্ন বোঁনা হয় নতুন করে। তাদের হাসিমুখের কাপল ছবিগুলো আমাদের নিউজফিডে ঝলমলে করে। আমরা অভিনন্দন জানাই তাদের সুন্দর আগামীর জন্য। তারপর রাত বাড়ে। আমরা তাদের শুভকামনা জানিয়ে ঘুমোতে যাই। রাত ভারী হতে থাকে। আমাদের ঘুম আর আসে না। আমাদের পুরোনো স্মৃতিগুলো বার বার মনে করিয়ে দেয়- আহা, এমনটা তো আমাদের সাথেও হতে পারতো! কারো নিউজফিড ঝলমল করে তুলতে পারতাম আমরাও। কল্পনা শুধু কল্পনাতেই রয়ে যায়। একবুক হাহাকার আর মন খারাপের গল্প নিয়ে আমাদের কারো কারো আরো একটি নির্ঘুম রাত কেটে যায়।☺️


 বিয়ের প্রথম বছর পুরুষেরা-
এই কাজগুলি করতে ভুলে গেলেই চরম বিপদ!
জেনে আগে থাকতেই সাবধান হন।

বিয়ে করার পরই শুরু হয় পুরুষের দ্বিতীয় জীবন। তাঁদের নতুন করে সব হিসেবনিকেশ চালু করতে হয়। সেক্ষেত্রে বিয়ের প্রথম বছর এই ৫টি কাজ না করলে জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। আসুন জানা যাক।

বিয়ের পর পুরুষের মনে একরাশ ঠান্ডা বাতাস খেলে যায়। মনে হয় স্ত্রীকে ছাড়া যেন জীবন কাটানোই অসম্ভব। ভালোবাসার উথালপাতাল ঢেউ বয়ে যায় হৃদয়ের সমুদ্রে। তবে প্রেমের রূপসাগরে দাঁড়িয়েও পুরুষেরা কিছু অতি প্রয়োজনীয় কাজ করতে ভুলে যান। আর এর থেকেই দাম্পত্যে জন্ম নেয় নিম্নচাপ।

অনেকেই ভীষণ ভুলো স্বভাবের হয়ে থাকেন। তাঁরা নানা কাজের মধ্যে ডুবে থাকেন। ফলে স্ত্রীকে ভালোবাসলেও, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার কথা মাথা থেকে উড়িয়ে ফেলেন। আর সেই কারণেই সমস্যা তৈরি হয় দাম্পত্যে। এমনকী এই জটিলতা অনেক ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

স্বামীদের মনে রাখতে হবে যে মহিলারা খুব চাপা স্বভাবের হন। তাঁদের মুখ থেকে আপনি সমস্যার কথা সহজে বের করে আনতে পারবেন না। কিন্তু ভিতরে একটা চাপা হতাশা তাঁদের গ্রাস করে নেয়। তাই এই বিষয়ে প্রথম থেকেই সতর্ক থাকা দরকার।

মুশকিল হল, বেশিরভাগ পুরুষেরাই জানেন না যে বিয়ের প্রথম বছর কোন কাজগুলি করা আবশ্যক?

এই পোস্টে সেই উত্তরই দেওয়া হল। আপনি এই তালিকা মিলিয়ে চলতে পারলেই আগামীদিন হবে সুখের।

১. সময় কথা বলে...
-------------------------
আপনাকে অবশ্যই স্ত্রীকে সময় দিতে হবে। সময়ের ঘাত-প্রতিঘাতেই একটি সম্পর্ক সম্পূর্ণ রূপ পায়। এমনকী গড়ে ওঠে ভরসা, ভালোবাসার বন্ধন। তাই বিবাহের পরবর্তী একবছর স্ত্রীকে যেন তেন প্রকারেণ সময় দিন। চেষ্টা করুন এই বছরটায় অফিসে কম সময় কাটানোর। তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে আসুন। আপনি স্ত্রীকে সময় দিলেই তিনি খুশি থাকবেন। দাম্পত্য রসায়ন হবে জমে ক্ষীর।

২. ভালোবাসার বার্তা…
-------------------------
অনেকেই স্ত্রীকে নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসেন। তবে তাঁরা মুখে এই কথাটা আনতে চান না। এমনকী কোনওদিনই মুখ ফুটে ভালোবাসার কথা বলেন না। এই কারণে স্ত্রীর মনে জমে কুয়াশা। তাঁরা বুঝতে পারেন না স্বামীর মনে কী চলছে! এর ফলে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন প্রায়শই স্ত্রীকে ভালোবাসার কথা বলার। রোজ সকালে উঠে একবার 'তোমায় ভালোবাসি' বললে আপনার টাকা খরচ হবে না নিশ্চয়ই।

৩. ঘনিষ্ঠতা থাকা চাই
-------------------------
বিয়ের প্রথম বছরেই দাম্পত্যে সুখী হওয়ার বীজ বপন করতে হয়। সেক্ষেত্রে নিয়মিত ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করুন। শারীরিক ঘনিষ্ঠতা যে কোনও সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। বিজ্ঞান জানাচ্ছে, শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সময় মস্তিষ্কে ফিল গুড হরমোন বের হয়। ফলে সম্পর্ক মজবুত হয়। তাই নিয়মিত ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠুক আপনাদের মধ্যে।

৪. শুধু দুজনে…
-------------------------
প্রথম বছরেই একটু ঘোরাঘুরির দিকে মন দিন। চলে যান দূরে কোথাও। পাহাড়, সমুদ্র যা পছন্দ হয়- একবার বেরিয়ে পড়ুন। বিয়ের প্রথম বছর বহু মহিলাই দূরে বেড়াতে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন। আর আপনাকে সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই হবে। অপরদিকে বিয়ের প্রারম্ভিক বছরে বাড়ির বাইরে পা না রাখলে আগামীদিনে একঘেয়েমি গ্রাস করবে সম্পর্ককে। তখন স্ত্রীকে দোষ দিয়ে লাভ নেই।

৫. পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া
-------------------------
এই পয়েন্টটা শেষে বললেও, এর গুরুত্ব কিন্তু কম নয়। আসলে এখনও ভারতীয় সমাজে মহিলারা বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে এসে ওঠেন। এই বাড়িতে সবাই নতুন। এই পরিস্থিতিতে স্বামীর উচিত দায়িত্ব নিয়ে পরিবারের সকলের সঙ্গে স্ত্রীকে মিলিয়ে দেওয়া। তবেই সুখে সংসার করতে পারবেন। আর এই কাজটা গুরুত্ব দিয়ে না করতে পারলে আগামীদিনে দুঃখ রয়েছে কপালে।

Follow
 
#foryoupageシforyou
#foryoupageシ
#Bangladesh

Wednesday, June 19, 2024


 Mm

পুরুষের যৌনতাকে সম্মান করো!


পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তুমি দুনিয়ার মুখ দেখতে পেরেছো। পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তার কাছে তুমি এত স্পেশাল। আকর্ষণ আছে বলেই তুমি এত পাত্তা পাও, প্রায়োরিটি পাও।


পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তুমি রাস্তায় সেজেগুজে বের হও, যাতে পুরুষরা তোমায় দেখে মুগ্ধ হয়। তুমি মুখে অস্বীকার করলেও তোমার অবচেতন মন এটাই চায়। পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তুমি বিপদে পড়লে বহু পুরুষ এগিয়ে আসে সাহায্যের জন্য।


পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই

সারাদিন খেটে তোমার পছন্দের শাড়ি নিয়ে বাড়ি ফেরে। দুলাইনের ছন্দ লিখে অথবা কয়টা সেলফি দিয়ে যে শতশত রিয়্যাক্ট পাও, সে পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই।


সাদা চামড়াকে পুঁজি করে স্বল্পবসনা হয়ে যে সেলিব্রেটি বনে যাও, তাও সে পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই।


যৌন আকর্ষণ আছে বলেই

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান ও মানবকূলের সেরা শক্তিশালী প্রাণী পুরুষ তোমার দুর্বলতাকে বিদ্রূপ না করে ভালবাসার চাঁদরে ঢেকে দেয়। যৌন আকর্ষণ আছে বলেই পুরুষ তোমাকে ভালবাসে, সমীহ করে চলে।


পুরুষের যৌন আকর্ষণ না থাকলে সাদা বিড়াল রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে যেমন কারো ভ্রূক্ষেপ হয় না, তোমার বেলাতেও তেমন ঘটতো। যৌন আকর্ষণ না থাকলে পুরুষ এতোটাই ডমিনেটিং হতো যে নারীজাতি তথা মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যেতো। যৌন আকর্ষণ না থাকলে প্রতিটি পুরুষ হতো নারীবিদ্বেষী।


সুতরাং, ঢালাওভাবে পুরুষের যৌনতাকে দায়ী না করে নিজেদের ত্রুটিগুলোও শুধরে নিতে শেখো! স্থান-কাল ও পরিস্থিতিভেদে যৌনতা নিয়ন্ত্রণের শতভাগ ক্ষমতা পুরুষকে দেওয়া হয়নি। 


লেখা; #সংগৃহীত 


বুশরা পেইজটি ফলো করুন! ধন্যবাদ-🌺💜

  ফেসবুকে প্রেম, দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষণের শিকার কিশোরী নিজেস্ব প্রতিনিধি December 26, 2024 রাজবাড়ীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ...